সিলেটে ভা!গওয়া লাভ ট্র্যাপ মহামারি আকার ধারণ করেছে।বেশিরভাগ ঘটনাই সুনামগঞ্জ থেকে উঠে আসা মেয়েদের।
এই মেয়ের নাম মিতু আক্তার।দরিদ্র পরিবারের মেয়ে।মেয়ের বাবা মা মেয়েকে পাঠিয়েছে সিলেট পড়তে।মেয়ে এমসি কলেজে সমাজবিজ্ঞান বিভাগে পড়ে।
একই বিভাগের মা।লাঊণ অভিজিৎ তালুকদার।তার বাড়িও সুনামগঞ্জে।সে এলাকার ফ্রেন্ড হিসেবে প্রথম মেয়েটির সাথে বন্ধুত্ব গড়ে তুলে।বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে নিয়ে খাওয়ানো,বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যাওয়া অল্পদিনেই মেয়েটিকে নিজের প্রতি দুর্বল করে ফেলে।
তাদের ভাষ্যমতে ৬ মাস হয়েছে প্রেমের সম্পর্কে যাওয়ার।এই ৬ মাসে অন্তত ৬০ বার ছেলে-মেয়ে দৈহিক মেলামেশা করেছে।ছেলের যখনই মন চাইত মেয়েকে নিয়ে আম্বরখানার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে চলে যেত।রেস্টুরেন্টে একটু খাওয়ার লোভে মেয়েটি কখনো না করতো না।
ছেলেটা মেয়েটাকে আশ্বাস দেয় সে বিদেশ চলে যাবে।সেখানে মেয়েকে নিয়ে যাবে।তখন কেউ কিছু বলতে পারবে না ধর্ম নিয়ে।মেয়েও মা।লাউণের এই প্রতারণার টোপে পা দেয়।বাকীটা ইতিহাস।গত ২ মাস আগে সিলেটের কয়েকজন ভাই চরম আপত্তিকর অবস্থায় তাদের হাতেনাতে ধরে।তারপর মেয়েটির বাসায় ফোন দেয়া হয়।মেয়ের বাবা-মা হতদরিদ্র।জানে মেয়ে সিলেটে চাকরি করে আর পড়ে।
এদিকে মালাঊনের পরিবার বাসা নিয়ে মদিনা মার্কেটে থাকে।এই হচ্ছে সিলেটের অবস্থা।
এদের পরিচয় দেয়া হলো
মেয়ে: মিতা আক্তার।
বাড়ি : সুনামগঞ্জ জাউয়া।
বাপের নাম :কনাই শাহ।
মায়ের নাম :রুবিয়া আক্তার।
ছেলে : অভিজিৎ তালুকদার।
গ্রাম নতুনবাজার ধর্মপাশা, সুনামগঞ্জ।
বাবা :মল্লিক তালুকদার।
মা : মন্নী তালুকদার।
মেয়ের নাম্বার
+8801304708483
ওর বান্ধবী আশার নাম্বার
+8801317356406







0 Comments